ক্ষীরশা-ক্ষুদিক্ষীরশা-বোম্বাই ক্ষীরশার সাতকাহন
লাইফ টিভি 24
প্রকাশিত: ০১:৫০ ২৯ মে ২০২৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাত আম বাংলাদেশের তৃতীয় ভৌগোলিক নির্দেশক (জি.আই পণ্য)। এ স্বীকৃতির মাধ্যমে আমটি দেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে স্বীকৃত।
ক্ষীরশাপাত আমের ইতিহাসটা প্রায় ২০০ বছর আগের। ময়মনসিংহের মহারাজা সুতাংশু কুমার আচার্য্য বাহাদুর চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে গড়ে তোলেন একটি আমবাগান। সেই বাগানেই অন্যান্য উৎকৃষ্ট জাতের আমের সঙ্গে চাষ হতো ক্ষীরশাপাত।
বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে সুস্বাদু জাতটি। বর্তমানে বাংলাদেশের উৎপাদিত আমের ৩০ শতাংশই ক্ষীরশাপাত আম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাত উৎকৃষ্ট জাতসমূহের মধ্যে একটি মধ্যম মৌসুমি এবং খুবই জনপ্রিয় বাণিজ্যিক জাত। ফল মাঝারি আকারের এবং অনেকটা ডিম্বাকৃতির। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এ ফল গড়ে লম্বায় ৮.৬ সেমি., পাশে ৭.৫ সেমি., উচ্চতায় ৬.০ সেমি. এবং গড়ে ওজন ২৬৩.৯ গ্রাম হয়।
পাকা ফলের ত্বকের রঙ সামান্য হলদে এবং শাঁসের রঙ হলুদাভ। শাঁস আঁশবিহীন, রসাল, গন্ধ আকর্ষণীয় ও বেশ মিষ্টি। গড় মিষ্টতা ২৩%। ফলের খোসা সামান্য মোটা ও শক্ত এবং আঁটি পাতলা। আঁটি গড়ে লম্বায় ৭.০ সেমি., পাশে ৪.০ সেমি., পুরুত্বে ২.০ সেমি. এবং গড় ওজনে ৪০.০ গ্রাম হয়ে থাকে।
ফলের গড় আহারোপযোগী অংশ শতকরা ৬৭.২ ভাগ। জ্যৈষ্ঠ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে আম পাকা শুরু করে। ফল পাড়ার পর পাকতে প্রায় ৫-৭ দিন সময় লাগে। ফলন খুবই ভালো তবে অনিয়মিত। ফল পরিপক্ব হতে (ফুল আসা থেকে) প্রায় চার মাস সময় লাগে। এ জাতের আমের পুরুষ ও উভলিঙ্গ ফুলের আনুপাতিক হার যথাক্রমে শতকরা ৯১.০ ও ৯.০ ভাগ। এই জাত দেশের সর্বত্র চাষাবাদ করা যেতে পারে।
ক্ষীরশাপাত আমের সাথে আরেকটি উন্নত জাতের আম হিমসাগরকে অনেক সময় একই বলা হলেও দুইটি আম ভিন্ন। হিমসাগর পশ্চিমবঙ্গের একটি বিখ্যাত আম যা ভারতের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলাতেও এই আমের চাষ হয়। পাকার পর ক্ষীরশাপাত আমের ওপরের অংশ হলুদ রং ধারণ করে। এ ক্ষেত্রে হিমসাগর আম পাকার পরেও সবুজাভ হালকা হলুদ রঙের হবে।
চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা এবং ভারতের নদীয়া জেলায় উৎপাদিত হিমসাগর আমের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলায় উৎপাদিত ‘শাদওয়ালা’ বা ‘শাদৌলা’ নামের অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। একই কথা ক্ষীরশাপাতের ক্ষেত্রেও বলা যায়। মুর্শিদাবাদের নবাব শাদৌলা আমের সবচেয়ে বড় সমঝদার ছিলেন বলে জানা যায়।
আবার অপেক্ষাকৃত একটু দেরীতে পাকা, ক্ষীরশাপাতের চাইতে আকারে বড়, কম স্বাদের ‘বোম্বাই’ ক্ষীরশাকে ‘হিমসাগর’ নামে চালানো হয়। এ দু’টি সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের। চাঁপাই নবাবগঞ্জ শহরের পুরাতন পুলিস লাইন্স বাগানের পশ্চিম কোণে একটি বোম্বাই ক্ষীরশার গাছ ছিল। এখন আছে কী না জানি না। ওই গাছটির আম পড়ে থাকলেও আমরা কুড়াতাম না। পড়ে থেকেই আবারো মাটির সাথে মিশে যেত। অতএব ক্ষীরশাপাত কিনতে গিয়ে প্রতারিত হবেন না।
এদিকে, ‘ক্ষুদি ক্ষীরশা’ নামে আকারে অপেক্ষাকৃত ছোট, কালচে সবুজ, স্বাদে একটু বেশী মিষ্টি, আগাম জাতের আরেকটি আম রয়েছে। অনেকে একে ‘রানিপসন্দ্’ নামেও চিনে থাকেন। ১৯৯৫ সালে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পোশাকি এ নাম দেয়া হয়।
আসল ক্ষীরশাপাত হালকা সবুজ রঙের হয়ে থাকে। উভয় জাতের মূল্য ও মান একই পর্যায়ের। ক্ষুদি ক্ষীরশা চাঁপাই নবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলে এখনো প্রবেশ করতে পারেনি। এই তিন জাতের আম প্রায় একই সময়ে পাকলেও, প্রথমে ক্ষুদি ক্ষীরশা, তার পরে ক্ষীরশা পেকে থাকে। আর বোম্বাই ক্ষীরশা পাকে আরও দেরীতে গুটি আমের শেষ দিকে ফজলীর সাথে।
লেখক: আবুল বাসার বাদল
ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট
- জজের বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় সাংবাদিক আনোয়ার হক আহত
- মার্কিন যুদ্ধবিমানের ওপর উপসাগরীয় দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা
- আমের পাতাও ফেলনা নয়, রয়েছে হাজারো গুণ
- বাংলাদেশে ঈদ সোমবার, ৩ দেশে তারিখ ঘোষণা: খালিজ টাইমস
- ঈদে মুক্তি পাচ্ছে যে ৬ সিনেমা
- ভূমিকম্প হওয়ার আগে সতর্ক করবে গুগল
- নিজের প্রতিষ্ঠান নিজেই কিনলেন ইলন মাস্ক!
- রাকসু গঠনতন্ত্র বিষয়ক কিছু পরামর্শ
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাবেন যে ৫ ফল
- বাসায় ফিরেই ফেসবুকে পোস্ট তামিমের, যা জানালেন
- ঈদের আগে চাকরি হারালেন রাসিকের ১২০ কর্মচারী
- শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড মিয়ানমার-থাইল্যান্ড, ১৫০ জনের মৃত্যু
- রোববার বসছে চাঁদ দেখা কমিটি, জানা যাবে কবে ঈদ
- ডিআরইউতে হামলায় আহত ৩, গ্রেফতার ২
- ঈদের ছুটি: বাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করার যত উপায়
- আবারও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে তামিমের: চিকিৎসক
- ময়মনসিংহে একটি গ্রাম বিক্রি করে দিলেন এক ব্যক্তি
- ঘুষি মেরে বেশ করেছি, ও যা নোংরামি করেছে এটাই প্রাপ্য: শ্রাবন্তী
- মেয়র হিসেবে শপথ নেয়া নিয়ে যা বললেন ইশরাক
- ‘ছাত্র-জনতার দাবিতে’ কাপড় দিয়ে ঢাকা হলো মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল
- `গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনার` অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা
- ও আলোর পথযাত্রী, এখানে থেমো না
- লাইলাতুল কদরে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়
- অনিশ্চয়তার অবসান: ঈদেই মুক্তি পাচ্ছে শাকিবের দুই সিনেমা
- আর্জেন্টিনার কাছে ৪ গোল হজম, ক্ষমা চাইলেন ব্রাজিল অধিনায়ক
- আড়াই প্যাঁচের জিলাপিতে এত গুণ
- হার্ট অ্যাটাক: জীবন বাঁচাতে শিখে নিন সিপিআর পদ্ধতি
- তরমুজের সাদা অংশ খেলে পাবেন ৬ উপকার
- সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা সন্জীদা খাতুনের বিদায়
- হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ৭ মিথ
- আমের পাতাও ফেলনা নয়, রয়েছে হাজারো গুণ
- সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা সন্জীদা খাতুনের বিদায়
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাবেন যে ৫ ফল
- ঈদের ছুটি: বাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করার যত উপায়
- রাকসু গঠনতন্ত্র বিষয়ক কিছু পরামর্শ
- ভূমিকম্প হওয়ার আগে সতর্ক করবে গুগল
- হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ৭ মিথ
- তরমুজের সাদা অংশ খেলে পাবেন ৬ উপকার
- ও আলোর পথযাত্রী, এখানে থেমো না
- আবারও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে তামিমের: চিকিৎসক
- শতাধিক গাড়ির বহর:জারার প্রশ্ন,জবাবে দাদার সম্পত্তি দেখালেন সারজিস
- উসকানিতে প্রভাবিত না হতে বললেন সেনাপ্রধান
- আড়াই প্যাঁচের জিলাপিতে এত গুণ
- বাসায় ফিরেই ফেসবুকে পোস্ট তামিমের, যা জানালেন
- আর্জেন্টিনার কাছে ৪ গোল হজম, ক্ষমা চাইলেন ব্রাজিল অধিনায়ক
- ‘ছাত্র-জনতার দাবিতে’ কাপড় দিয়ে ঢাকা হলো মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল
- রোববার বসছে চাঁদ দেখা কমিটি, জানা যাবে কবে ঈদ
- সারজিসের গাড়িবহরের অর্থায়ন নিয়ে ব্যাখ্যা চাইলেন তাসনিম জারা
- ঘুষি মেরে বেশ করেছি, ও যা নোংরামি করেছে এটাই প্রাপ্য: শ্রাবন্তী
- ঈদের আগে চাকরি হারালেন রাসিকের ১২০ কর্মচারী