ঢাকা, ০৫ এপ্রিল শনিবার, ২০২৫ || ২১ চৈত্র ১৪৩১
good-food

পেঙ্গুইন দ্বীপেও শুল্কারোপ করলেন ট্রাম্প

লাইফ টিভি 24

প্রকাশিত: ১৮:৩৭ ৪ এপ্রিল ২০২৫  

 অস্ট্রেলিয়ার  হার্ড ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপে পেঙ্গুইন ও সামুদ্রিক সীলের অবাধ বিচরণ। মানুষের বসতি নেই। ক্ষুদ্র এবং প্রত্যন্ত অ্যান্টার্কটিক এ দুটি দ্বীপেও শুল্ক আরোপ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক আরোপের লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে পেঙ্গুইন এবং সিল দ্বারা অধ্যুষিত প্রত্যন্ত অ্যান্টার্কটিক দ্বীপ। অস্ট্রেলিয়ার ৪,০০০ কিলোমিটার (২,৪৮৫ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত হার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর একমাত্র পথ সমুদ্র। উপকূল থেকে সাত দিনের নৌ ভ্রমণের মাধ্যমে সেখানে যাওয়া যায়। ধারণ করা হয়, প্রায় এক দশক ধরে মানুষ সেখানে যায়নি।

মার্কিন পণ্যের ওপর অন্যায্য বাণিজ্য বাধার প্রতিশোধ হিসেবে বুধবার (২ এপ্রিল) ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী নতুন শুল্ক আরোপ করেন। ফলে নরওয়েজিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, স্বালবার্ড, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ এবং ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার আরও কয়েকটি অঞ্চল নতুন শুল্কের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বৃহস্পতিবার বলেছেন, এটি কেবল এই সত্যটি দেখায় এবং উদাহরণ দেয় যে পৃথিবীর কোথাও ট্রাম্পের শুল্ক থেকে নিরাপদ নয়।

অস্ট্রেলিয়ার বাকি অংশের মতো হার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জ, কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ এবং ক্রিসমাস দ্বীপ এখন ১০% শুল্কের আওতায়। নরফোক দ্বীপে ২৯% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ দ্বীপ অস্ট্রেলিয়ার একটি অঞ্চল এবং এর জনসংখ্যা মাত্র ২,২০০ জন।

হার্ড দ্বীপটি  বরফে ঢাকা। সম্পূর্ণরূপে জনবসতিহীন। অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম এবং একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বিগ বেন এখানে অবস্থিত। দ্বীপের বেশিরভাগই বিশাল হিমবাহ দ্বারা আচ্ছাদিত। তেমনি ম্যাকডোনাল্ডও জনবসতিহীন। এ ধরনের দ্বীপকেও শুল্কের আওতায় আনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা।